Header Ads Widget

Responsive Advertisement

রোজার ভঙ্গের কারণ সমূহ

 

রোযা ভঙ্গের কারণসমূহ

যেসব কারণে কাযা ও কাফফারা উভয়টি জরুরি

মাসআলা : রমযানে রোযা রেখে স্ত্রী সহবাস করলে বীর্যপাত না হলেও স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উপর কাযা ও কাফফারা ওয়াজিব হবে।

একটি দীর্ঘ হাদীসে আছেএক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললআমি রোযা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কাফফারা আদায়ের নির্দেশ দিলেন। দেখুন : সহীহ বুখারীহাদীস ৬৭০৯জামে তিরমিযীহাদীস ৭২৪মুসান্নাফে আবদুর রাযযাকহাদীস ৭৪৫৭মুসনাদে আহমদ ২/২৪১

মুহাম্মাদ ইবনে কাব রা. বলেনরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে (যে স্ত্রীসহবাসে লিপ্ত হয়েছিল) কাফফারা আদায়ের সাথে কাযা আদায়েরও আদেশ করেছিলেন। মুসান্নাফে আবদুর রাযযাকহাদীস ৭৪৬১আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৬

মাসআলা : রোযা রেখে স্বাভাবিক অবস্থায় ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে কাযা ও কাফফারা উভয়টি জরুরি হবে।

হাদীস শরীফে আছেএক ব্যক্তি রমযানে রোযা রেখে (ইচ্ছাকৃত) পানাহার করল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আদেশ করলেনযেন একটি দাস আযাদ করে বা দুই মাস রোযা রাখে বা ষাটজন মিসকীনকে খাবার খাওয়ায়। সুনানে দারাকুতনী ২/১৯১

ইমাম যুহরী রাহ. বলেনরমযানে রোযা রেখে যে ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করবে তার হুকুম ইচ্ছাকৃতভাবে দিনে সহবাসকারীর অনুরূপ। অর্থাৎ তাকে কাযা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। মাবসূতসারাখসী ৩/৭৩আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৬

মাসআলা : বিড়ি-সিগারেটহুক্কা পান করলেও রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং কাযা ও কাফফারা উভয়টি জরুরি হবে। রদ্দুল মুহতার ৩/৩৮৫

এই মাসআলার দলীল বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনার জন্য দেখুন : যাজরু আরবাবির রায়্যান আন শুরবিদ দুখানতারবীহুল জিনান বিতাশরীহি হুকমি শুরবিদ দুখানআল্লামা আবদুল হাই লাখনোবী রাহ.

মাসআলা : সুবহে সাদিক হয়ে গেছে জানা সত্ত্বেও আযান শোনা যায়নি বা এখনো ভালোভাবে আলো ছড়ায়নি এ ধরনের ভিত্তিহীন অজুহাতে খানাপিনা করলে বা স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হলে কাযা-কাফফারা দুটোই জরুরি হবে। সূরা বাকারা (০২) : ১৮৭মাআরিফুল কুরআন ১/৪৫৪-৪৫৫

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ