Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বড়দের জামাতে বাচ্চাদের কাতারে দাঁড়ানোর বিধান


 বড়দের জামাতে বাচ্চাদের কাতারে দাঁড়ানোর বিধান



#প্রশ্ন: বয়স্কদের জামাতে কাতারের ফাঁকে ছোট ৮/১০ বছরের বাচ্চারা দাঁড়ালে বড়দের নামাযের কোনো ক্ষতি হবে কি না? যদি ক্ষতি হয় তবে বাচ্চারা কোথায় দাঁড়াবে? বিশেষ করে যখন বড় কোনো মাহফিলের জামাতে বাচ্চাদেরকে অভিভাবকের সঙ্গেই দাঁড়ানোর প্রয়োজন দেখা দেয়, তখনই বা কী করবে?
নামাযের মাসআলা-মাসায়েল সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখে—এমন নাবালেগ বা অপ্রাপ্তবয়স্ক বাচ্চাকে বড়দের কাতারের ফাঁকে দাঁড় করানো মাকরুহ নয় এবং এতে বড়দের নামাযেরও কোনো ক্ষতি হবে না। বরং ফকিহগণের কেউ কেউ অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, ছোট বাচ্চারা যদি পেছনের কাতারে একা দাঁড়িয়ে দুষ্টুমি করা কিংবা জামাত থেকে মনোযোগ সরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে তাদেরকে বড়দের কাতারের ফাঁকে ফাঁকে দাঁড় করানোই অধিক শ্রেয়।
তবে স্বাভাবিক ও সাধারণ নিয়ম হলো, নাবালেগ বাচ্চাদের প্রাপ্তবয়স্কদের কাতারের পেছনে আলাদা কাতারে দাঁড় করানো।
বিশেষ করে বড় কোনো মাহফিল বা জনাকীর্ণ স্থানে বাচ্চাদের হারিয়ে যাওয়া বা ভিড়ের মধ্যে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, তাদেরকে অভিভাবকের সাথে বা বড়দের কাতারের ফাঁকে দাঁড় করানো জায়েজ আছে, যাতে বড়দের নামাযে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।
জরুরি সতর্কবার্তা:
যেসব বাচ্চার নামাযের কোনো জ্ঞান নেই বা যারা সঠিকভাবে পবিত্রতা রক্ষা করতে জানে না কিংবা অতিরিক্ত ছোটাছুটি ও দুষ্টুমি করে অন্যদের নামাযে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা থাকে, এমন ছোট বাচ্চাদের মসজিদে না আনাই বা বাসায় রেখে আসাই উত্তম।
* সহীহ মুসলিম: ১/১৮১, হাদিস নং: ৬৫৮ (দারু ইহইয়্যাত তুরাস আল-আরাবি, বৈরুত)
* জামে তিরমিজি: ১/৫৩, হাদিস নং: ২২৬ (দারু ইহইয়্যাত তুরাস আল-আরাবি, বৈরুত)
* আল-বাহরুর রায়েক: ১/৩৫৩ (দারুল মাআরিফা, বৈরুত)
* বাদায়েউস সানায়ে: ১/৩৯২ (দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত)
* ইলাউস সুনান: ১/২৬৪ (ইদারাতুল কুরআন, করাচি)
* তুহফাতুল মুহতাজ বি-শারহিল মিনহাজ: ৩/১০৬-১০৭ (দারুল কুুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত)
ইমাম ও খতীব: শ্রীনগর দক্ষিণ পাড়া মাঝি বাড়ী জামে মসজিদ, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ