Header Ads Widget

Responsive Advertisement

কুরআনের আয়াত কম্পোজ করার সময় অজু ও সিজদার বিধান

 কুরআনের আয়াত কম্পোজ করার সময় অজু ও সিজদার বিধান




#প্রশ্ন: আমি একজন কম্পিউটার অপারেটর। আমি আরবি ও বাংলা উভয় ভাষাই কম্পোজ করি, যার কারণে আমাকে প্রায়ই পবিত্র কুরআনের আয়াত কম্পোজ করতে হয়। জানতে চাই, কুরআনের আয়াত কম্পোজ করার সময় অজু করা জরুরি কি না? আর কখনো যদি সিজদার আয়াত কম্পোজ করি, তখন কি আমাকে সিজদা দিতে হবে?
কম্পিউটার অপারেটর বা লেখকের জন্য সরাসরি কিবোর্ডে টাইপ করার ক্ষেত্রে অজু থাকা জরুরি নয়; বিনা অজুতেই কিবোর্ডের মাধ্যমে কুরআনের আয়াত কম্পোজ করা জায়েজ আছে। তবে এ ক্ষেত্রে কাগজ বা প্রিন্ট করা পাতার স্পর্শের বিষয়টি ভিন্ন। যদি কোনো কাগজে বা নোটপ্যাডের মধ্যে কেবল কুরআনের আয়াত বা অধিকাংশ লেখাই পবিত্র কোরআনের অংশ হয়, তবে তা স্পর্শ করার জন্য অজু থাকা আবশ্যক। পক্ষান্তরে, যে কাগজে কুরআনের আয়াতের চেয়ে সাধারণ বা অন্য লেখা বেশি থাকে, সেই কাগজের সাধারণ অংশ বিনা অজুতে স্পর্শ করা জায়েজ হলেও, সরাসরি আয়াতের ওপর হাত রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং তা স্পর্শ করতে হলে অজু থাকতে হবে।
সিজদার আয়াতের বিধান:
কম্পিউটার বা ডিভাইসে আয়াতে সিজদার আয়াত কম্পোজ করার সময় যদি তা মুখ দিয়ে উচ্চারণ বা তিলাওয়াত করা না হয়, তবে কেবল দেখে টাইপ করার কারণে কোনো সিজদা ওয়াজিব হবে না। তিলাওয়াতে সিজদা ওয়াজিব হওয়ার জন্য তা মুখ দিয়ে স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করা বা তিলাওয়াত করা শর্ত। অতএব, মুখে উচ্চারণ না করে নীরব থেকে শুধু কম্পোজ করলে তিলাওয়াতের সিজদা দিতে হবে না।
* ফাতাওয়া খানিয়া: ১/১৫৭ (দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত)
* আল-বাহরুর রায়েক শারহুন কানযুদ দাকাইক: ২/১১৮ (দারুল মাআরিফা, বৈরুত)
* খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ১/১৮৪ (মাকতাবে বাযিদিয়া, কোয়েটা)
* ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১/৭৭৩ (জামেআহ ফারূকিয়া, করাচি)


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ