সাহরী
মাসআলা : সাহরী খাওয়া সুন্নত। পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়, এক ঢোক
পানি পান করলেও সাহরীর সুন্নত আদায় হবে।
হাদীস শরীফে আছে, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
تَسَحَّرُوا، فَإِنَّ فِي السُّحُورِ بَرَكَةً.
তোমরা সাহরী খাও। কেননা, সাহরীতে
বরকত রয়েছে। —সহীহ
মুসলিম, হাদীস ১০৯৫
অন্য হাদীসে বলা হয়েছে, সাহরী
খাওয়া বরকতপূর্ণ কাজ। সুতরাং তোমরা তা পরিত্যাগ করো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও
সাহরী কর। কারণ যারা সাহরী খায় আল্লাহ তাআলা তাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং
ফিরিশতারা তাদের জন্য রহমতের দুআ করেন। —মুসনাদে আহমাদ ৩/১২; মুসান্নাফে
ইবনে আবী শায়বা, হাদীস ৯০১০; সহীহ ইবনে
হিব্বান, হাদীস ৩৪৭৬
মাসআলা : সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময় সাহরী
খাওয়া মুস্তাহাব। তবে এত দেরি করা মাকরূহ যে, সুবহে
সাদিক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন—
إِنَّا مَعَاشِرَ الْأَنْبِيَاءِ أُمِرْنَا أَنْ نُعَجِّلَ فِطْرَنَا، وَأَنْ نُؤَخِّرَ سَحُورَنَا.
قال الهيثمي رجاله رجال الصحيح.
সকল নবীকে সময় হওয়ার পরপরই ইফতার তাড়াতাড়ি করতে এবং সাহরী শেষ
সময়ে খেতে আদেশ করা হয়েছে। —আলমুজামুল
আওসাত, তবারানী, হাদীস ১৮৮৪; মাজমাউয
যাওয়ায়েদ ৩/৩৬৮
আমর ইবনে মায়মুন আলআওদী রাহ. বলেন, সাহাবায়ে
কেরাম দ্রুত ইফতার করতেন আর শেষ সময়ে সাহরী খেতেন। —মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ৭৫৯১; মুসান্নাফে
ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৯০২৫
0 মন্তব্যসমূহ